SEO কি এবং এসইও কিভাবে করতে হয়

SEO কি? এসইও কিভাবে করতে হয়?

ডিজিটাল এই যুগে, অনলাইন উপস্থিতি যেকোনো ব্যবসা বা ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েবসাইট ভিত্তিক ব্যবসায়ের কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের জন্য এসইও হলো প্রধান এবং সবচেয়ে প্রফিট (ROI) জেনারেট করার মার্কেটিং কৌশল। একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পর কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের জন্য এসইও কিভাবে কাজে লাগাতে হয় তা জানা প্রত্যেক ওয়েবমাস্টারের জন্য অপরিহার্য।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (এসইও) এমন একটি ডিজিটাল মার্কেটিং প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলোকে সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফল (SERPs) পেজেরে প্রথম দিকে নিয়ে আসা যায়। এর ফলে ওয়েবসাইটে অর্গানিক ভাবে বেশি ট্রাফিক আসে এবং অনলাইন দৃশ্যমানতা বাড়ে।

এসইও কি?

এসইও (SEO) এর পূর্ণরূপ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (Search Engine Optimization)। এটি এমন একটি ডিজিটাল মার্কেটিং প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলোকে সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলে প্রথম দিকে নিয়ে আসা যায়।

যখন কোনো ব্যবহারকারী সার্চ ইঞ্জিনে কোনো কিছু লিখে সার্চ করে, তখন সার্চ ইঞ্জিনগুলো সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক এবং মানসম্পন্ন ফলাফলগুলো প্রথমে দেখায়। এসইও-এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে এমনভাবে অপ্টিমাইজ করা হয়, যাতে সার্চ ইঞ্জিনগুলো সেটিকে প্রাসঙ্গিক এবং মানসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করে।

এসইও কত প্রকার ও কি কি?

এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) মূলত তিন প্রকার। যেমন – অন-পেজ এসইও, অফ-পেজ এসইও, টেকনিক্যাল এসইও ইত্যাদি।

. অন-পেজ এসইও (On-Page SEO):

অনপেজ এসইও ওয়েবসাইটের ভেতরের বিষয়বস্তু এবং এইচটিএমএল কোডের অপটিমাইজেশনের উপর focus করে। অনপেজ এসইও করার জন্য আপনাকে অবশ্যই ওয়েবসাইটের এডমিন প্যানেল বা কন্ট্রোল প্যানেলে প্রবেশ করতে হবে। অনপেজ এসইওর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:

  • টাইটেল ট্যাগ এবং মেটা ডেসক্রিপশন অপটিমাইজ করা
  • হেডিং ট্যাগ (H1-H6) সঠিকভাবে ব্যবহার করা
  • কন্টেন্টের মধ্যে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করা
  • ইমেজ অপটিমাইজ করা (alt টেক্সট ব্যবহার করা)
  • অভ্যন্তরীণ লিঙ্কিং (Internal Linking) তৈরি করা
  • ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু আকর্ষণীয় এবং তথ্যপূর্ণ করা

২. অফ-পেজ এসইও (Off-Page SEO):

অফপেজ এসইও ওয়েবসাইটের বাইরের বিভিন্ন কার্যকলাপের মাধ্যমে র‍্যাঙ্কিং উন্নত করার উপর focus করে। এটি করার জন্য ওয়েবসাইটের কন্ট্রোল প্যানেলে প্রবেশ করার প্রয়োজন হয় না। অফপেজ এসইও ওয়েবসাইটের এক্সেস ছাড়াই যে কেউ করতে পারে। অফপেজ এসইওর মধ্যে প্রধান বিষয়গুলো হলো:

  • লিঙ্ক বিল্ডিং (Backlinks) – অন্যান্য ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটে লিঙ্ক তৈরি করা
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • ব্র্যান্ড মেনশন (Brand Mentions)
  • গেস্ট ব্লগিং
  • অনলাইন ডিরেক্টরি এবং লিস্টিং ইত্যাদি।

৩. টেকনিক্যাল এসইও (Technical SEO):

টেকনিক্যাল এসইও ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল দিকগুলো অপটিমাইজ করার উপর focus করে যাতে সার্চ ইঞ্জিন ক্রলার বা সার্চ ইঞ্জিন বট সহজেই ওয়েবসাইটটি ক্রল এবং ইন্ডেক্স করতে পারে। এটি মূলত ওয়েবসাইটের সকল টেকনিক্যাল সমস্যা সমাধান করার উপর বিশেষ ভাবে ফোকাস করে। টেকনিক্যাল এসইওর গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো হলো:

  • ওয়েবসাইটের স্পিড অপটিমাইজেশন (Page Speed) উন্নত করা
  • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি (Mobile-Friendly) ডিজাইন
  • সাইটম্যাপ (Sitemap) তৈরি এবং সাবমিট করা
  • রোবটস.txt (robots.txt) ফাইল কনফিগার করা
  • URL স্ট্রাকচার অপটিমাইজ করা
  • SSL সার্টিফিকেট ব্যবহার করা
  • স্ট্রাকচার্ড ডেটা মার্কআপ (Schema Markup) ব্যবহার করা ইত্যাদি।

এগুলো ছাড়াও, কন্টেন্ট ও প্লাটফর্মের ধরণের উপর ভিত্তি করে এসইও (SEO) এর আরো বিভিন্ন প্রকারের নাম শুনে থাকবেন। যেমন – লোকাল এসইও, ই-কমার্স এসইও এবং ভিডিও এসইও ইত্যাদি।

  • লোকাল এসইও (Local SEO): নির্দিষ্ট এলাকার ব্যবসার জন্য গুগল ম্যাপ এবং টার্গেটেড লোকেশনে দৃশ্যমানতা বাড়ানোর এসইও।
  • ই-কমার্স এসইও (E-commerce SEO): অনলাইন স্টোরের পণ্য পেজ এবং অন্যান্য পেজগুলোকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করা।
  • ভিডিও এসইও (Video SEO): ভিডিও এসইও বলতে ইউটিউব বা এই জাতীয় ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্মের ভিডিও গুলোকে উক্ত প্লাটফর্ম এবং গুগল ভিডিও অনুসন্ধানের জন্য অপটিমাইজ করা।

তবে, উপরে দেওয়া এসইও (Search Engine Optimization) এর প্রধান তিনটি প্রকারভেদ – ’অন-পেজ, অফ-পেজ এবং টেকনিক্যাল এসইও’ – এগুলো এসইও এর মূল ভিত্তি এবং এগুলো একটি ওয়েবসাইটের সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিং এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এসইওতে আপনি আরো দুটি শব্দ শুনে থাকবেন, যেমন – হোয়াইট হ্যাট এসইও (White Hat SEO) এবং ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black Hat SEO)। যে কোনো ওয়েবসাইট এসইও করার ক্ষেত্রে এই দুটি বিষয় মাথায় রেখে তারপর এসইও করা উচিত।

White Hat ও Black Hat এসইও কি?

White Hat SEO এবং Black Hat SEO হল দুটি বিপরীতধর্মী এসইও (SEO) কৌশল যা ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলে উচ্চতর অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এদের মূল পার্থক্য হলো সার্চ ইঞ্জিনের নিয়মকানুন এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি।

. হোয়াইট হ্যাট এসইও (White Hat SEO):

হোয়াইট হ্যাট এসইও হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের একটি নৈতিক এবং দীর্ঘমেয়াদী কৌশল। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগল, বিং এর নিয়মকানুন এবং নির্দেশিকা মেনে চলে ওয়েবসাইটকে সার্চ ফলাফলে উন্নত অবস্থানে নিয়ে যাওয়া এবং একই সাথে ব্যবহারকারীদের জন্য একটি উন্নত অভিজ্ঞতা প্রদান করা।

হোয়াইট হ্যাট এসইওতে উচ্চ-মানের এবং প্রাসঙ্গিক কন্টেন্ট তৈরি, স্বাভাবিকভাবে ব্যাকলিঙ্ক অর্জন, ব্যবহারকারী-বান্ধব ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং টেকনিক্যাল এসইও-এর সঠিক প্রয়োগের উপর জোর দেয়। এই পদ্ধতি অবলম্বন করার ফলে ওয়েবসাইট দীর্ঘস্থায়ীভাবে ভালো র‍্যাঙ্কিং ধরে রাখতে সক্ষম হয় এবং সার্চ ইঞ্জিন কর্তৃক পেনাল্টি ঝুঁকিও এড়ানো যায়।

হোয়াইট হ্যাট এসইও কোনোরকম প্রতারণামূলক কৌশল বা সার্চ ইঞ্জিনকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করে না, বরং সততার সাথে ব্যবহারকারীদের জন্য মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে ওয়েবসাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে।

২. ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black Hat SEO):

ব্ল্যাক হ্যাট এসইও হলো সেই অনৈতিক এবং নিয়মবহির্ভূত কৌশলগুলোর সমষ্টি যা ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলে দ্রুত এবং কৃত্রিমভাবে উচ্চ অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিগুলো প্রায়শই সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগল, বিং এর নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে উপেক্ষা করে।

ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর কিছু সাধারণ উদাহরণ হলো কীওয়ার্ড স্টাফিং (অতিরিক্ত অপ্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড ব্যবহার), ক্লকিং (সার্চ ইঞ্জিন ক্রলারদের এক ধরনের কন্টেন্ট দেখানো এবং ব্যবহারকারীদের অন্য ধরনের), হিডেন টেক্সট বা লিঙ্ক ব্যবহার, ডোরওয়ে পেজ তৈরি, এবং নিম্নমানের ওয়েবসাইট থেকে প্রচুর পরিমাণে ব্যাকলিংক কেনা।

যদিও এই কৌশলগুলো স্বল্প সময়ের জন্য র‍্যাঙ্কিং বৃদ্ধি করতে পারে, তবে সার্চ ইঞ্জিন কর্তৃক ধরা পড়লে ওয়েবসাইটটি পেনাল্টি বা এমনকি স্থায়ীভাবে ব্যানও হতে পারে। তাই, দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য ব্ল্যাক হ্যাট এসইও পরিহার করা উচিত।

ব্যাকলিংকের বিষয়ে আমরা কম-বেশি সকলেই জানি, ব্যাকলিংক ছাড়া এসইওতে খুব ভালো কিছু করা যায় না। এক্ষেত্রে আমরা নিজেরাই ব্যাকলিংক তৈরি করে থাকি অথবা কোনো প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্ট থেকে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক সার্ভিস নিয়ে থাকি। যদিও এটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর মধ্যেই পড়ে, তবুও এটা আমাদেরকে করতে হয়।

ব্যাকলিংক কেনার ক্ষেত্রে সবসময় একজন প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্ট -এর শরণাপন্ন হবেন। কারণ, একজন প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্ট এসইও নিয়ে বিশেষ জ্ঞান রাখেন এবং তারা জানেন কোন ব্যাকলিংক গুলো সেইফ এবং কোন ব্যাকলিংকগুলো ক্ষতিকর। তাদের মাধ্যমে ব্যাকলিংক করলে ব্যাকলিংকের জন্য পেনাল্টি খাওয়ার চান্স খুবই নগন্য। যাইহোক –

হোয়াইট হ্যাট বনাম ব্ল্যাক হ্যাট এসইও:

হোয়াইট হ্যাট এসইও ব্ল্যাক হ্যাট এসইও
দীর্ঘমেয়াদী টেকসই র‍্যাঙ্কিং দ্রুত র‍্যাঙ্কিং অর্জনের চেষ্টা
সার্চ ইঞ্জিনের নিয়মকানুন অনুসরণ করে সার্চ ইঞ্জিনের নিয়মকানুন উপেক্ষা বা লঙ্ঘন করে
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেয় ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উপেক্ষা করে
উচ্চ-মানের এবং প্রাসঙ্গিক কন্টেন্ট তৈরি করে নিম্নমানের বা অপ্রাসঙ্গিক কন্টেন্ট ব্যবহার করে
স্বাভাবিকভাবে ব্যাকলিঙ্ক অর্জন করে কৃত্রিম উপায়ে ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করে (যেমন – কেনা, ফার্মিং)
ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল দিকগুলো অপটিমাইজ করে টেকনিক্যাল দুর্বলতা ব্যবহার করে র‍্যাঙ্কিং ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করে
দীর্ঘমেয়াদী কৌশল স্বল্পমেয়াদী কৌশল
ঝুঁকি কম, দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল ঝুঁকি বেশি, সার্চ ইঞ্জিন কর্তৃক পেনাল্টি খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
স্বচ্ছ এবং নৈতিক পদ্ধতি ধোঁকাবাজিপূর্ণ এবং অনৈতিক পদ্ধতি
ব্যবহারকারীদের জন্য মূল্যবান রিসোর্স তৈরি করে শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনকে লক্ষ্য করে অপটিমাইজ করে
ধীরে ধীরে এবং স্থিতিশীলভাবে র‍্যাঙ্কিং উন্নত করে দ্রুত র‍্যাঙ্কিং বৃদ্ধির চেষ্টা করে যা প্রায়শই অস্থায়ী হয়

সার্চ ইঞ্জিনগুলো ক্রমাগত তাদের অ্যালগরিদম আপডেট করে ব্ল্যাক হ্যাট কৌশলগুলো চিহ্নিত করে এবং সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। তাই, দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য এবং আপনার ওয়েবসাইটের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য হোয়াইট হ্যাট এসইও কৌশল অবলম্বন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

এসইও কিভাবে করতে হয়?

এসইও করার জন্য প্রথমে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু এবং কাঠামোর দিকে লক্ষ্য রেখে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। কিওয়ার্ড হলো এমন বাক্য যা লিখে ব্যবহারকারীরা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে। কিওয়ার্ড রিসার্চের পর সেই কিওয়ার্ড টার্গেট করে কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে। কন্টেন্ট তৈরি হলো অনপেজ এসইওর কাজ।

আপনার কন্টেন্ট যদি ব্লগ জাতীয় হয়, তবে সেই ব্লগের টাইটেল ট্যাগ, হেডিং, কন্টেন্ট, মেটা ডেসক্রিপশনে সঠিকভাবে কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও, আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট যেন উচ্চ-মানের, তথ্যপূর্ণ এবং ব্যবহারকারীদের জন্য আকর্ষণীয় হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

আবার ওয়েবসাইটের ভেতরের লিঙ্কিং কাঠামো সঠিক ভাবে নির্মাণ করতে হবে এবং ছবি ও অন্যান্য মিডিয়ার সঠিক ব্যবহারও অন-পেজ এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন-পেজ অপটিমাইজেশনের পাশাপাশি, অফ-পেজ এসইও-ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অফ-পেজ এসইওর প্রধান কাজ হলো অন্যান্য বিশ্বস্ত এবং প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিঙ্ক (ইনকামিং লিঙ্ক) তৈরি করা। এছাড়াও, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচার, ব্র্যান্ড মেনশন এবং অনলাইন ডিরেক্টরিগুলোতে আপনার ব্যবসার তালিকা যুক্ত করা অফ-পেজ এসইও এর অংশ।

অফ-পেজ এসইওর পর চলে আসে টেকনিক্যাল এসইও। টেকনিক্যাল এসইও করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন টুলসের ব্যবহার করতে হবে। যেমন -গুগল সার্চ কনসোল, এইচরেফস, সেমরাশ ইত্যাদির মতো টুলস। এগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল সমস্যা খুঁজে পেতে পারেন, যা টেকনিক্যাল এসইওর জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

টেকনিক্যাল এসইওর আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো – ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড, মোবাইল ফ্রেন্ডলি, সাইটম্যাপ, রোবটস.txt ফাইল সঠিক ভাবে অপটিমাইজ করা। একটি সফল এসইও কৌশল বাস্তবায়নের জন্য এই তিনটি যথা -অন-পেজ, অফ-পেজ এবং টেকনিক্যাল ইত্যাদির সঠিক সমন্বয় এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ অপরিহার্য।

শেষ কথা:

আপনি যদি একজন অনলাইন উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন এবং আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকে, তবে এসইও সম্পর্কে আপনার ধারণা থাকা অপরিহার্য। কারণ, একটি ওয়েবসাইটের সাকসেস এসইওর উপর নির্ভর করে থাকে। এসইও কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটকে হেল্প করে আশাকরি তা এই ব্লগ থেকে বুঝে গেছেন।

রিলেটেড পোস্ট :-

বিজ্ঞাপন

আরো ব্লগ পড়ুন:

বর্তমান সময়ে এসইও (SEO) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল। এই স্কিলে

বর্তমান সময়ে প্রতিটি ছোট -বড় অনলাইন বিজনেসের জন্যই এক বা একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে। উদ্যোক্তাদের মধ্যে যারা

এসইও (SEO) এর সাথে ব্যাকলিংক ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। অফপেজ এসইওর মূল বিষয়বস্তুই হলো ব্যাকলিংক। ব্যাকলিংক কাকে