ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে যা জানতে হবে

ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে যা জানতে হবে

যে কোনো ধরণের ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য ওয়েব হোস্টিং অপরিহার্য। ওয়েব হোস্টিং এমন একটি পরিষেবা, যা ওয়েবসাইটের সকল কন্টেন্ট ধারণ করে এবং ওয়েবসাইটকে ইন্টারনেটে দৃশ্যমান করে তোলে। এটি আপনার ওয়েবসাইটের ফাইলগুলোকে একটি সার্ভারে সংরক্ষণ করে, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে দেয়।

তবে, বিভিন্ন ধরণের হোস্টিং এবং বিভিন্ন হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি থাকার কারণে সঠিক হোস্টিং বাছাই করা নতুনদের জন্য অনেকটা চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। এজন্য আপনাকে ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে যা জানতে হবে তার একটি বর্ণনা এই ব্লগে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে যা জানতে হবে

একটি ওয়েবসাইট তৈরির জন্য প্রাথমিক ধাপ হলো সঠিক ডোমেইন নাম ও উপযুক্ত হোস্টিং প্ল্যান বাছাই করা। ডোমেইন নাম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামই সাধারণত ব্যবহৃত হয়, এজন্য ডোমেইন নাম বাছাইয়ে তেমন ঝামেলা নেই। কিন্তু একটি হোস্টিং প্ল্যান বাছাই করার ক্ষেত্রে অনেক বিষয় মাথায় রাখতে হয়।

. হোস্টিং এর প্রকারভেদ

ওয়েব হোস্টিং বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন –

শেয়ার্ড হোস্টিং (Shared Hosting), ভিপিএস হোস্টিং (VPS Hosting), ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting), ক্লাউড হোস্টিং (Cloud Hosting), ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং (WordPress Hosting), রিসেলার হোস্টিং (Reseller Hosting) এবং কো-লোকেশন হোস্টিং (Co-location Hosting) ইত্যাদি।

শেয়ার্ড হোস্টিং (Shared Hosting): এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সাশ্রয়ী মূল্যের হোস্টিং। এই হোস্টিংয়ে একটি সার্ভারে অনেকগুলো ওয়েবসাইট হোস্ট করা হয়। ছোট এবং মাঝারি আকারের ওয়েবসাইটের জন্য এটি উপযুক্ত।

ভিপিএস হোস্টিং (VPS Hosting): ভিপিএস (ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার) হোস্টিংয়ে একটি ফিজিক্যাল সার্ভারকে ভার্চুয়ালি ভাগ করে একাধিক সার্ভার তৈরি করা হয়। শেয়ার্ড হোস্টিং এর চেয়ে বেশি নিয়ন্ত্রণ এবং কাস্টমাইজেশনের সুবিধা পাওয়া যায়। মাঝারি থেকে বড় আকারের ওয়েবসাইটের জন্য এটি উপযুক্ত।

ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting): এই হোস্টিংয়ে একটি পুরো সার্ভার একটি মাত্র ওয়েবসাইটের জন্য বরাদ্দ থাকে। সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ, কর্মক্ষমতা এবং নিরাপত্তা পাওয়া যায়। বড় আকারের এবং উচ্চ ট্রাফিক সম্পন্ন ওয়েবসাইটের জন্য এটি উপযুক্ত।

ক্লাউড হোস্টিং (Cloud Hosting): এই হোস্টিংয়ে অনেকগুলো সার্ভারের সমন্বয়ে একটি ক্লাউড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। অতিরিক্ত ট্রাফিক বা রিসোর্সের প্রয়োজন হলে সহজেই স্কেল করা যায়। উচ্চ ট্রাফিক এবং পরিবর্তনশীল চাহিদার ওয়েবসাইটের জন্য এটি উপযুক্ত।

ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং (WordPress Hosting): এটি বিশেষভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট এর জন্য অপ্টিমাইজ করা হোস্টিং। ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সফটওয়্যার এবং সেটিংস এখানে আগে থেকেই কনফিগার করা থাকে।

২. ব্যান্ডউইথ এবং স্টোরেজ

ওয়েব হোস্টিং-এর ব্যান্ডউইথ এবং স্টোরেজ এই দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা আপনার ওয়েবসাইটের কর্মক্ষমতা এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করে।

স্টোরেজ (Storage): স্টোরেজ হলো আপনার ওয়েবসাইটের ফাইল, ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য ডেটা রাখার জায়গা। এটি হার্ড ড্রাইভের মতো কাজ করে, যেখানে আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকে। আপনার ওয়েবসাইটের আকার এবং কন্টেন্টের উপর নির্ভর করে হোস্টিং স্টোরেজ কত জিবি নেবেন তা নির্ধারণ করবেন।

ব্যান্ডউইথ (Bandwidth): ব্যান্ডউইথ হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে আপনার ওয়েবসাইট থেকে ডেটা ট্রান্সফার করার ক্ষমতা। যখন কোনো ব্যবহারকারী আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে, তখন সার্ভার থেকে তাদের কম্পিউটারে ডেটা ডাউনলোড হয়। এই ডেটা ট্রান্সফারের পরিমাণকেই ব্যান্ডউইথ বলে। যদি আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর ট্রাফিক আসে বা বড় আকারের ফাইল থাকে, তবে আপনার বেশি ব্যান্ডউইথের প্রয়োজন হবে।

৩. সার্ভার আপটাইম

ওয়েব হোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে সার্ভার আপটাইম বলতে বোঝায়, একটি সার্ভার কতক্ষণ ধরে অনলাইনে সচল এবং কার্যকর থাকে। অর্থাৎ, কতক্ষণ ধরে ব্যবহারকারীরা কোনো বাধা ছাড়াই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে পারেন। সার্ভার আপটাইম পার্সেন্টেজে প্রকাশ করা হয়। যেমন ৯৯.৯% আপটাইম মানে, বছরে প্রায় ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের মতো সার্ভার ডাউন থাকতে পারে।

৪. ওয়েব হোস্টিং সিকিউরিটি ফিচার

একটি ওয়েব হোস্টিংয়ে বিভিন্ন ধরনের সিকিউরিটি ফিচার থাকতে থাকে। যা আপনার ওয়েবসাইট সিকিউরিটির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েব হোস্টিং সিকিউরিটি ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে – এসএসএল সার্টিফিকেট, ফায়ারওয়াল, ম্যালওয়্যার স্ক্যানিং এবং অপসারণ, ডিডস সুরক্ষা ও নিয়মিত ব্যাকআপের মতো আরো বিভিন্ন সিকিউরিটি ফিচার।

এসএসএল সার্টিফিকেট (SSL Certificate): এটি ওয়েবসাইটের ডেটা এনক্রিপ্ট করে, অর্থাৎ ডেটা সুরক্ষিত রাখে। ওয়েবসাইটে “https://” প্রোটোকল যুক্ত করে, যা ব্যবহারকারীদের আস্থা বাড়ায়।

ফায়ারওয়াল (Firewall): এটি ক্ষতিকর ট্রাফিক থেকে ওয়েবসাইটকে রক্ষা করে। তাছাড়া, হ্যাকারদের আক্রমণ প্রতিহত করতে সাহায্য করে।

ম্যালওয়্যার স্ক্যানিং এবং অপসারণ (Malware Scanning and Removal): এটি নিয়মিত ওয়েবসাইট স্ক্যান করে ম্যালওয়্যার সনাক্ত করে এবং অপসারণ করে। তাছাড়া, ওয়েবসাইটকে ক্ষতিকর কোড থেকে রক্ষা করে।

ডিডস সুরক্ষা (DDoS Protection): এটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DDoS) আক্রমণ থেকে ওয়েবসাইটকে রক্ষা করে। তাছাড়া এই ফিচারটি ওয়েবসাইটের ডাউনটাইম কমাতে সাহায্য করে।

নিয়মিত ব্যাকআপ (Regular Backups): এটি নিয়মিত ওয়েবসাইটের ডেটা ব্যাকআপ রাখে, যাতে কোনো কারণে ডেটা হারিয়ে গেলে পুনরুদ্ধার করা যায়। এই ফিচারটি থাকার ফলে কোনো প্রকার সাইবার আক্রমণ হলে সহজেই ডেটা পুনরুদ্ধার করা যায়।

এগুলো ছাড়াও একটি ওয়েব হোস্টিংয়ে শক্তিশালী প্রমাণীকরণ (Strong Authentication), 2FA লগইন সিকিউরিটি এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার নিরাপত্তা (Software Security) এর মতো সিকিউরিটি ফিচার থাকে। আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে এই ফিচারগুলো আছে কিনা তা দেখে নেবেন।

৫. কন্ট্রোল প্যানেল

হোস্টিং কেনার আগে ওয়েব হোস্টিং কন্ট্রোল প্যানেল সম্পর্কে জানা অত্যাবশ্যক। এটি একটি ওয়েব-ভিত্তিক ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীদের তাদের ওয়েব হোস্টিং অ্যাকাউন্ট সহজে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। কন্ট্রোল প্যানেলের মাধ্যমে আপনি ডোমেইন, ফাইল, ডাটাবেস, ইমেইল অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস এক জায়গা থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

এটি সার্ভার ব্যবস্থাপনার কাজকে অনেক সহজ করে তোলে, বিশেষ করে যারা টেকনিক্যাল বিষয়ে খুব বেশি অভিজ্ঞ নন তাদের জন্য। বিভিন্ন হোস্টিং প্রোভাইডার বিভিন্ন ধরনের কন্ট্রোল প্যানেল ব্যবহার করে, যেমন cPanel, Plesk, DirectAdmin ইত্যাদি, তাই কেনার আগে আপনার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সঠিক কন্ট্রোল প্যানেলটি বেছে নেওয়া জরুরি।

৬. হোস্টিং ব্যাকআপ পলিসি

হোস্টিং ব্যাকআপ পলিসি আপনার ওয়েবসাইটের অপ্রত্যাশিত ডেটা লস, যেমন হার্ডওয়্যার সমস্যা, হ্যাকিং আক্রমণ বা যেকোনো সমস্যায় আপনার ওয়েবসাইটের ডেটাকে সুরক্ষিত রাখে। এজন্য ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে ব্যাকআপ পলিসি সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত।

৭. প্রাইসিং এবং রিনিউয়াল ফি

হোস্টিং কেনার আগে এর মূল্য এবং রিনিউয়াল ফি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া আবশ্যক। সাধারণত, হোস্টিং প্যাকেজের প্রাথমিক মূল্য বেশ আকর্ষণীয় হয়, কিন্তু পরবর্তীতে রিনিউয়ালের সময় সেই খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। এটা অনেকের জন্য হতাশা ও কষ্টের কারণ।

বিভিন্ন প্রকার হোস্টিং যেমন – শেয়ার্ড, ভিপিএস, ডেডিকেটেড এর দাম এবং তাদের ফিচার অনুযায়ী এই মূল্যের পার্থক্য দেখা যায়। তাই, কেনার আগে হোস্টিং প্রদানকারীর মূল্য তালিকা এবং রিনিউয়াল পলিসি ভালোভাবে তুলনা করে নেওয়া উচিত। হিডেন কোন চার্জ আছে কিনা, অথবা ভবিষ্যতে আপগ্রেড করার প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত খরচ কত হবে, সেই বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা রাখা দরকার।

৮. ফ্রেমওয়ার্ক এবং ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট

ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে ফ্রেমওয়ার্ক এবং ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট সম্পর্কে জেনে নেওয়া অত্যাবশ্যক। আপনি যে ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান, তার উপর নির্ভর করে নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং ভাষা এবং ফ্রেমওয়ার্কের প্রয়োজন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, পিএইচপি (PHP) এবং মাইএসকিউএল (MySQL) ওয়ার্ডপ্রেসের মতো প্ল্যাটফর্মের জন্য অপরিহার্য, তেমনই রুবি অন রেলস (Ruby on Rails) বা পাইথন (Python) ডেভলপমেন্টের জন্য আলাদা সার্ভার কনফিগারেশনের দরকার হয়।

হোস্টিং প্যাকেজটি আপনার পছন্দের ভাষা ও ফ্রেমওয়ার্ক সমর্থন করে কিনা, এবং সেগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় রিসোর্স (যেমন লাইব্রেরি, মডিউল) আগে থেকে ইনস্টল করা আছে কিনা অথবা সহজে ইনস্টল করার সুবিধা আছে কিনা, তা নিশ্চিত করা উচিত। অন্যথায়, ওয়েবসাইট তৈরি ও পরিচালনা করতে গিয়ে আপনি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

৯. রিফান্ড পলিসি

একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত হোস্টিং প্রদানকারীর বৈশিষ্ট্য হলো তারা সাধারণত তাদের সেবার উপর একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রিফান্ড পলিসি দিয়ে থাকে। এই পলিসি গ্রাহকদের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের কেনা হোস্টিং প্যাকেজ বাতিল করে অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ দেয়, যদি তারা পরিষেবা নিয়ে সন্তুষ্ট না হন।

হোস্টিং রিফান্ড পলিসির শর্তাবলী অবশ্যই পড়বেন। কারণ এটি গ্রাহকদের বিনিয়োগের সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং একটি আত্মবিশ্বাস যোগায় এবং ঝুঁকিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করে। ভালো ও নির্ভরযোগ্য হোস্টিং কোম্পানি চেনার উপায় এটি।

০. কাস্টোমার সাপোর্ট

যে কোনো কোম্পানি থেকে ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে তাদের কাস্টোমার সাপোর্ট সম্পর্কে জেনে নিন। কারণ, হোস্টিং সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা যেমন সার্ভার ডাউন হওয়া, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে না পারা, ইমেইল কনফিগারেশন অথবা অন্য কোনো টেকনিক্যাল বিষয়ে দ্রুত সমাধানের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য কাস্টোমার সাপোর্ট টিম অপরিহার্য।

হোস্টিং কেনার আগে তাদের সাপোর্টের মাধ্যমগুলো (যেমন লাইভ চ্যাট, ইমেইল, ফোন), সাপোর্টের সময় (২৪/৭ কিনা), এবং তাদের রেসপন্স টাইম সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত। এছাড়াও, অন্যান্য ব্যবহারকারীদের রিভিউ দেখেও তাদের কাস্টোমার সাপোর্ট সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন।

হোস্টিং কেনার আগে উপরোক্ত বিষয় গুলো সম্পর্কে জানা আবশ্যক মনে করি। এগুলো ছাড়াও আপনি চাইলে আরো কিছু বিষয় জেনে নিতে পারেন, যেমন – ডেটা প্রাইভেসি, রিভিউ এবং রেপুটেশন, হোস্টিং স্কেলেবিলিটি, সার্ভার লোকেশন, কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN), ই-মেইল হোস্টিং, ডাটাবেস সাপোর্ট, সার্ভার টেকনোলজি, ডোমেইন ম্যানেজমেন্ট, ইকো-ফ্রেন্ডলি হোস্টিং, ব্যাকআপ এবং মাইগ্রেশন সাপোর্ট, ডেটা সেন্টার সার্টিফিকেশন, লোড ব্যালান্সিং, আইপি ব্লকিং এবং জিও-ব্লকিং সিস্টেম ইত্যাদি।

শেষ কথা:

আপনি যদি একজন সচেতন অনলাইন উদ্যোক্তা হতে চান, তবে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে উপরোক্ত বিষয় গুলো অবশ্যই মেনে চলা উচিত। আর এগুলো নিয়ে যদি আপনার খুব ভালো ধারনা না থাকে, তবে একজন প্রফেশনাল ওয়েবসাইট এক্সপার্টকে হায়ার করে হলেও আপনার ব্যবসার জন্য উপযুক্ত হোস্টিংটি ক্রয় করুন।

নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত হোস্টিং কোম্পানি বাছাই না করার কারণে অগণিত নতুন উদ্যোক্তা দাঁড়াবার আগেই ঝরে পড়ে। এজন্য সঠিক হোস্টিং বাছাই করা সকল উদ্যোক্তাদের জন্যই আবশ্যকীয় একটি বিষয় এবং এটিই সফলতার প্রথম ধাপ।

রিলেটেড পোস্ট :-

বিজ্ঞাপন

আরো ব্লগ পড়ুন:

বর্তমান সময়ে এসইও (SEO) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল। এই স্কিলে

বর্তমান সময়ে প্রতিটি ছোট -বড় অনলাইন বিজনেসের জন্যই এক বা একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে। উদ্যোক্তাদের মধ্যে যারা

এসইও (SEO) এর সাথে ব্যাকলিংক ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। অফপেজ এসইওর মূল বিষয়বস্তুই হলো ব্যাকলিংক। ব্যাকলিংক কাকে